জব ব্যাংকে নিন – ন্যুনতম শিক্ষায় হাই সেলারি – অনভিজ্ঞ/ অভিজ্ঞ সব ধরনের পদের জন্য শুন্য পদ খালি থাকে

ব্যংকে চাকরি দুই ধরনে আছে এটা সবাই জানে। সরকারি ব্যাংকে চাকরি এবং প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি। প্রাইভেট ব্যাংক কে বেসরকারি ব্যাংক ও বলা হয়ে থাকে।

অনেকেই মনে করে থাকেন ব্যাংকে চাকরি মানেই বিশেষ কিছু হয়ে গেল। তাই সরকারি হোক আর বেসরকারি হোক একটা ব্যাংকের চাকরি পেলে অনেক খুশি হয় অনেকেই। অবশ্য ব্যাংকে চাকরি করার একটা বড় সুবিধা আছে। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে যে, কোথায় চাকরি করেন তাহলে খুব ইজিলি জবাব দেয়া যায় যে, ব্যাংকে চাকরি করি। তার পর পরেই আরো একটা প্রশ্ন অবশ্য ছুটে আসে যেটা তেমন গুরুত্ব পুর্ন না। কারন তারপরের প্রশ্নটা হচ্ছে, কোন ব্যাংকে চাকরি করেন। এটা তেমন ইম্পর্টেন্ট প্রশ্ন না। আপনি যে ব্যাংকের নামই বলেন না কেন, প্রশ্ন কর্তা ধরেই নেন আপনি বেশ ভাল জায়গায় একটা স্টেবল চাকরি করেন।

হ্যা, এটা বলাই বাহুল্য যে, অন্যান্য প্রাইভেট অফিসে কাজ করার চেয়ে ব্যাংকে কাজ করা অনেক স্টেবল। বলতে গেলে প্রায় পুরোটাই স্টেবল। তবে পদের একটা বিশাল ফেক্টর আছে। ব্যাংকে কাজ করতে পারলে ভাল কিন্তু পজিশন বা পদবি যদি ভাল না হয় তাহলে বেতনের পরিমান খুবই নগন্য হয়ে থাকে। আমি কিন্তু সরকারি ব্যাংকে চাকরির কথা বলছিনা। বেসরকারি ব্যাংকের কথাটাই মুলত উল্লেখ করছি। সরকারি চাকরি ব্যাংকে হোক আর যেখানেই হোক তা সকল প্রশ্নের উর্ধে চলে যায়।

এখন কথা হচ্ছে, যারা বেসরকারি ব্যাংকে প্রাথমিক ভাবে এক্সিকিউটিভ পদের জন্য জয়েন করতে তাদের কিন্তু অনেক কষ্ট করতে হয়। শুধু তাই নয় প্রাথমিক বেতনে পরিমানও অনেক কম থাকে বেসরকারি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ পদ গুলোর জন্য। তবে এসব কষ্ট সহ্য করে যদি কেউ লেগে থাকতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে ফিনান্সিয়ালি মোটামোটি সিকিউর্ড একটা লাইফ পাওয়া যায়। কারন আপনি পাচ্ছেন, একটা সামাজিক সম্মান, সাথে পাচ্ছেন নিরাপদ মান্থলি সেলারি এবং সারাজীবন নিশ্চিন্তে থাকার টিকেট। যদিও আপনার পদ যদি নিচের দিকের হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উরাধুরা লাইফ লিড করার মত একটা লাইফ পাবেন না কিন্তু নিশ্চিন্তে বেচে থাকার মত একটা সিকিউরিটি পাবেন।

ব্র্যাক সহ অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকে নিয়মিত সার্কুলার প্রকাশ হয়ে। এখানে ক্লিক করে এপ্লাই করে ফেলুন ব্যাংকের একটি অসাধারন চাকরিতে।