নাইট শিফটে কমবেশি HSC -তে ২৪০০০ – ৪৪০০০ বেতনে কাজ করা যায় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের লিস্ট এটা

অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে নাইট শিফটে কাজ করে বেশ মোটা সেলারি পাওয়া যায়। নাইট শিফটে কাজ করা এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের বিষয় নিয়েই এই লেখাটি।

সিনার্জি বিজনেজ সল্যুশন মুলত টেলিমার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদের জন্য নাইট শিফটে লোক নিয়ে। এরপর ধরুন আছে, ইউনিভার্সার আই টি নামের একটি প্রতিষ্ঠান এবং এরা ইন্টারন্যশনাল কল সেন্টার এক্সি কিউটিভ পদের জন্য নাইটে নিয়োগ নিয়ে থাকে। এ ওয়ান টেক নামের অপর এক প্রতিষ্ঠান আছে যারা টেলিমার্কেটিং পদের জন্য লোক নেয়। তবে এরা নাইট শিফটে কাজ করায় কিনা নিশ্চিত হতে পারিনি। এক্সিল ওয়েব নামের অন্য এক প্রতিষ্ঠান মর্টগেজ লোন প্রোসেসর পদের জন্য রাতের শিফটে কাজের জন্য কর্মী নিয়ে থাকে।

বি পি ও সেক্টরে রাতের বেলা কাজ হয় এ এস এল বি পি ও অফিসে। এদের অফিস উত্তরাতে। কাস্টমার কেয়ার রিপ্রেজেন্টেটিভ পদের এরা নাইটে কাজের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রায়ই।

ঠিক একই রকম রাতের কাজের জন্য আরো অফিস আছে। যেমন ক্যটালিস্ট সলুশন ( সিস্টার করসার্ন অফ আদীভা গ্রাফিক্স)। এরা মুলত ডাটা আর্টিস্ট এসোসিয়েট হিসেবে নাইটের জন্য কর্মি নিয়ে থাকে। এছারা আছে সিম্বা ফেশন লিমিটেড এবং এরা এডমিন অফিসার পদের জন্য লোক নেয় নাইট শিফটের জন্য।

এছাড়া সকল ব্যাংকের আছে নাইট শিফটে কাজ করানোর জন্য লোক নিয়োগের সিস্টেম। ব্যাংকের নাইট শিফটে কাজের জন্য বিশেষ দক্ষতা এবং শিক্ষার দরকার পড়ে। যেহেতু ব্যাংকের ক্ষেত্রে কাস্টমারদের ব্যাংকিং রিলেটেড কোয়ারির জবাব নির্ভুল ভাবে দিতে হয় সেহেতু ব্যাংকের কল সেন্টারে যারা নাইটে কাজ করেন তাদের কে কমার্স ব্যকগ্রাউন্ডের হতে হবে এটাই সাভাবিক। তবে ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়। ব্যাংক টু ব্যাংক এসব নাইটে কাজ ভেরি করে থাকে অনেক।

শুধু এসব ছাড়াও নাইটে কাজ করতে পারা যায় বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর যেমন গ্রামিনফোন এয়ারটেল বাংলালিংক সহ অন্যান্য অপারেটরে।

বর্তমানে একদম রিসেন্ট কিছু সার্কুলার যেগুলো নাইট শিফটের জন্য করতে পারবেন এমন কিছু সার্কুলার দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

মনে রাখবেন, নাইট শিফটে কাজের জন্য সারারাত জেগে কাজ করতে হবে। সুতরাং যদি আপনার রাত জেগে কাজ করার মন মানসিকতা না থাকে তাহলে নাইট শিফটে কাজ না করাই ভাল।