পল্লী বিদ্যুৎ – বিলিং সহকারি নিচ্ছে – অস্থায়ী ভিত্তিতে [মেট্রিক/SSC বা ইন্টার/HSC] নিজ এলাকায় ১০ তারিখের মধ্যে এপ্লাই করে জয়েন করুন

বিলিং সহকারি পদের জন্য এই সার্কুলার প্রকাশ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ। বিলিং সহকারি কি সেটা অনেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য কিছুটা ব্যাখ্যা করে দিচ্ছি। অবশ্য নামটাই পদের গুরুত্ব আলোচনার জন্য যথেষ্ট। কারন সহকারি মানে হচ্ছে সাহায্যকারি। আর বিলিং সহকারি মানে বিলিং কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তিকে সাহায্যকারি বা সহকারি। কিছু কিছু জিনিস থাকে ইংরেজিতে বললে বুঝতে সুবিধা হয়। যেমন সহকারি মানে হচ্ছে এসিস্টেন্ট। এখন যদি বিলিং সহকারি না বলে বিলিং এসিস্টেন্ট বলি তাহলে অনেকেই এক কথাতেই বুঝে যাবেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিলিং টা কিন্তু ইংরেজি শব্দ অথচ তার সাথে যুক্ত করা হয়েছে সহকারি। ফলে বিলিং সহকারি শব্দটা বাংলা এবং ইংরেজির মিশ্রন হয়ে গিয়েছে। অবশ্য যদিও বিলিং এর উপযুক্ত বাংলা কি সেটা আমার এই মুহুর্তে জানা নেই।

আবেদন করার জন্য বা দরখাস্ত জমা দেবার জন্য নির্ধারিত ফর্ম রয়েছে। সেই ফর্মে যা যা উল্লেখ আছে সেই মোতাবেক সামগ্রিক শর্ত পুরন করে তারপর এপ্লাই করতে হবে। ফর্মে কোন তথ্য ভুল বা অসত্য যেন না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কারন ফর্মে যদি আপনার তথ্যের সাথে আপনার বাস্তবিক তথ্যের অমিল খুজে পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে আপনার আবেদন বাতিল করার সকল ক্ষমতা অফিস রাখেন। সো, নির্ধারিত আবেদন ফর্মটি খুব সাবধানতার সাথে ধীরে সুস্থে পুরন করা চেস্টা করবেন। বিশেষ করে আবেদন ফর্মটিতে দেখলাম এস এস সি এবং এইস এস সি পাসের একটা অংশ রয়েছে। সেই অংশটা সাবধানতার সাথে পুরন করবেন আশাকরি। সেখানে পাশেই সন কত এটা উল্লেখ করতে হবে এবং জি পি এ কত এবং কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেছেন সেটাও উল্লেখ করতে হবে স্পস্টভাবে।

আর একটা ব্যাপার হচ্ছে আবেদন ফর্মে অবশ্যই প্রার্থীকে সবকিছু নিজের হাতে লিখতে হবে। কারন ফর্মে স্পস্ট উল্লেখ আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্থান প্রার্থীকে সহস্তে পুরন করতে হবে। সো, এই ব্যাপারটা মনে রাখবেন। নিজের মনমত অন্য কাউকে দিয়ে নিজের ফর্ম পুরন করিয়ে নিবেন না প্লিজ। সেক্ষত্রে পরে আপনার ঝামেলা হতে পারে।

এছাড়া আরো কিছু গুরুত্বপুর্ন বিষয় যেগুলো আপনাকে এপ্লাই করার আগে জেনে নিতে হবে সেগুলো মুল সার্কুলার দেখেই জেনে নিতে পারবেন। আর মুল সার্কুলারটি এখানে ক্লিক করে জেনে নিয়েছে সবাই