যমুনা ফিউচার পার্কে বিভিন্ন শপে ৮০০০ থেকে ১৮০০০ বেতনে চাকরি SSC/ HSC বা যেকোন শিক্ষা জয়েনিং নিতে পারেন ভেরি ইজিলি

যমুনা ফিউচার পার্কে বিভিন্ন দোকান আছে। প্রতিটা দোকান অনেক বড় এবং বিশাল। এই বিশাল দোকান সামাল দেয়া যে কি পরিমান কঠিন কাজ তা একমাত্র মালিক পক্ষই জানেন। যমুনা ফিউচার পার্কে যারা গিয়েছেন তারা সবাই জানেন যে, এক এক টা শপ কতটা বড় এবং বিশাল আকৃতির হয়ে থাকে। নরমালি দেখা যায়, অন্যান্য শপিং মনে ৫০ টা দোকানের সমান হচ্ছে যমুনা ফিউচার পার্কের এক এক টা বিশাল শপ। আর যারা গিয়েছেন তারা নিশ্চয় একটা ব্যপার লক্ষ্য করেছেন যে, এক এক টা শপের প্র্রায় ৪ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত খোলা ডোর থাকে। ফলে মেইন ডোর যে কোনটা সেটা বোঝা মারাত্নক ঝামেলার। আমি একবার একটা শপে ঢুকে জিজ্ঞের করেছিলাম, ভাই আপনাদের মুল ফটক কোনটা। তিনি জবাব না দিয়ে আমাকে পালটা জিজ্ঞেস করেছিলেন, ফটক কি বুঝলাম না স্যার। এই একটা ব্যপার আমার দারুন লাগে। আপনি যেই হোননা কেন এসব দোকানের কর্মী যারা আছেন তারা সবাই আপনাকে স্যার বলে সম্বোধন করবেন ই, মাস্ট।

যাই হোক, আমি তাকে বলেছিলাম ফটক মানে দরজা বা ডোর। তিনি তখন হেসে জবাব দিয়েছিলেন, স্যার মুল ফটক বলতে কিছু নেই, আপনি যেটা দিয়েই ঢুকবেন সেটাই আমাদের মুল ফটক। কথাটা শুনে আমার চরম লেগেছিল। যে ফটক দিয়েই আমি ঢুকিনা কেন সেটাই মুল ফটক হয়ে যাবে। ঠিক যেন, মেয়েনে জিস চেয়ার পে বাঠতিহু বহি হট হো যাতাহে। ওয়াও অসাধারন!

যেহেতুন লোকটার সাথে আমার একটু বন্ধুর মত হয়ে গিয়েছিল তাই তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ভাই আপনারা এই যে কাজ করেন সেলসের, এসব কাজের জন্য নিয়োগ কিভাবে হয়। তিনি আমাকের জবাব না দিয়ে তাদের একটি দরজার কাছে আমাকে নিয়ে গেলেন। নিয়ে গিয়ে একটা বক্স দেখালেন, যে বক্সের উপরে লেখা, যারা এখানে সেলস ম্যন পদে কাজ করতে আগ্রহী তারা দয়া করা এই বক্সে পুর্নাং বায়োডাটা জমা দিন।

আমি তাকে আবারো জিজ্ঞেস করলাম, অন্যান্য শপে কিভাবে লোক নিয়ে থাকে। তিনি জানালেন, সবাই এই সিস্টেমেই নিয়ে থাকে নতুন লোক।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, যোগ্যতা কি লাগে সেটাতো বক্সে লেখা নেই। তিনি বললেন, যোগ্যতা বলতে কিছু নেই। যার আগ্রহ থাকে তিনিই জমা দিতে পারবেন। বাকিটা কতৃপক্ষ বিবেচনা করে দেখবেন কাকে নিবে কাকে নিবেনা। তবে অনেকেই যারা সিভি জমা দেয় তারা জবটা পেয়ে যায় প্রায়ই।

এপ্লাই করার জন্য এখানে ক্লিক করে বিজ্ঞপ্তিগুলো দেখতে পারবেন