এই বক্সে Apply Now লিখে খুজতে হবে নইলে পাবেন না

পোস্ট অফিসে HSC পাস হলেই পোস্টম্যান ২১৮০০ বেতনে জয়েন করা যাচ্ছে


যতগুলো পদের কথা এই সার্কুলারে আছে, এতগুলো পদ একসাথে দিয়ে আজ পর্যন্ত ডাক বিভাগের সার্কুলার এর আগে কখনো হয়ইনি। পোস্টম্যান হচ্ছে পোস্ট অফিসের সবচেয়ে আকর্ষনীয় একটি পদ। সম্প্রতি এই পদের জন্য দরখাস্ত নিচ্ছে বাংলাদেশ ডাকঘর। শুধু তাই নয়, এই পদের জন্য শিক্ষা চাওয়া হয়েছে শুধুমাত্র SSC (মাধ্যমিক) পাস। বেতনও বেশ লুক্রেটিভ। ৯০০০ টাকায় চাকরি জীবন শুরু হয়ে বাড়তে বাড়তে হবে ২১৮০০ টাকা।
এইতো গেলো, পোস্টম্যন পদের কথা। এই সার্কুলারটি আসলেই বেশ ভিন্ন টাইপের একটা সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। কারন, মেইল ক্যারিয়ার নামের একটা পদ আছে যেখানেও এসএসসি থাকলেই এপ্লাই করতে পারবে যেকেউ। এছাড়া, গার্ড, প্যাকার সহ আরো চোখ ধাধানো ১০ টি পদের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে ডাক বিভাগের এই সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি। প্রতিটি পদেই সম্পুর্ন বিনা অভিজ্ঞতায় এপ্লিকেশন করা যাচ্ছে। সার্কুলারের বিস্তারিত এবং দরখাস্ত জমা নিয়ম দেখুন নিচে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ 

পোস্টমাস্টার জেনারেল-এর দপ্তর

 কেন্দ্রীয় সার্কেল, ঢাকা-১০০০। 

www.bdpost.gov.bd

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 


০১। ১৫ই জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮-৩০ বছর হতে হবে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখের 05.00.0000.170.11.017.২০-১৪৯ নম্বর স্মারকে আবেদনকারীর বয়স ২৫-৩-২০২০ খ্রি. তারিখ সর্বোচ্চ বয়সসীমার ৩০ বছর থাকলে উক্ত প্রার্থী আবেদন করার যোগ্য হবেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের পুত্র-কন্যার ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮-৩০ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

০২। সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীকে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে আবেদন করতে হবে। চাকরিরত প্রার্থীদের সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদনপত্র পূরণের সময় Departmental Candidate-এর ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে। অন্যদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। তবে সকল চাকরিরত প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনাপত্তি ছাড়পত্রের মূলকপি দাখিল করতে হবে। আবেদনকারীকে তার সর্বশেষ অর্জিত শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টিও উল্লেখ করতে হবে।

০৩। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে লিখিত পরীক্ষায় সকল ক্রমিকের প্রার্থীকে অংশগ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মৌখিক/ব্যাবহারিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। উক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।

০৪। উপরিউক্ত ১ নং ক্রমিকের প্রার্থীদের জন্য পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা ও Teletalk-এর সার্ভিস চার্জ ২৩/- (তেইশ) টাকাসহ মোট ২২৩/- (দুইশত তেইশ) টাকা এবং ২-১০ নং ক্রমিকের প্রার্থীদের জন্য পরীক্ষার ফি বাবদ ১০০/- (একশত) টাকা ও Teletalk এর সার্ভিস চার্জ ১২/- (বারো) টাকাসহ মোট ১১২/- (একশত বারো) টাকা http://pmgcc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট অনুসরণে প্রদান করতে হবে। পরীক্ষার ফি প্রদানের পর দাখিলকৃত আবেদন আর সংশোধন/এডিট করা যাবে না।

০৫। আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল নম্বর সার্বক্ষণিক সক্রিয় রাখতে হবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত SMS পাওয়ার জন্য মোবাইল নম্বর সক্রিয় না রাখার কারণে কোনো তথ্য বা SMS পেতে ব্যর্থ হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। SMS প্রাপ্তির পর প্রার্থীকে নিজ উদ্যোগে প্রবেশপত্র Download করে নিতে হবে। ০৬। প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই :

(ক) প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত কোনো তথ্য বা দাখিলকৃত কাগজপত্র জাল, মিথ্যা বা বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া ন্যূনতম শর্তের সাথে গরমিল/অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেলে/ড়ুয়া প্রমাণিত হলে কিংবা পরীক্ষায় নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুল তথ্য/জাল কাগজপত্র প্রদর্শিত হলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে কোনো প্রার্থীর পরীক্ষা চলাকালীন অথবা পরবর্তীতে যে কোনো পর্যায়ে প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেন।

(খ) মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতা সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল শিক্ষা/প্রশিক্ষণের সনদসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার সনদের মূলকপি প্রদর্শন করতে হবে এবং পুরণকৃত Application Form-সহ আবেদনের সঙ্গে দাখিলকৃত সকল সনদ এবং প্রবেশপত্রসহ সত্যায়িত ০১ (এক) সেট ফটোকপি দাখিল করতে হবে এবং আবেদনকারীর ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি জমা দিতে হবে। ভুল তথ্য/জাল কাগজপত্র প্রদর্শিত হলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে কোনো প্রার্থীর প্রার্থীতা সরাসরি বাতিল করা হবে।

(গ) জেলার স্থায়ী বাসিন্দা প্রমাণের সনদ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন-এর যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে। বিশেষ কোটার প্রার্থীদেরকে বিশেষ কোটার সমর্থনে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে।

Comments

Post a Comment

প্রশ্ন থাকলে লিখুন

ফুল টাইম কিন্তু অকল্পনীয় সহজ জবগুলো