Police সুপারের অফিসে ২০০০০ এ কাজ করতে Apply করেন
পাঞ্জাবী এমন এক পোশাক যেটা ছেলেরা এখন সারা বছরই পরিধান করে থাকে। আর বয়স্ক বা বৃদ্ধ যারা আছেন তারাতো পাঞ্জাবী ছাড়া অন্য কোন পোশাক পরিধান করা বাদই দিয়ে দেন এক সময়।
তার মানে হচ্ছে, পাঞ্জাবীর চাহিদা যে শুধু ঈদেই তুংগে থাকে তা কিন্তু নয়। ঈদ ছাড়াও এখন সারা বছর জুড়েই পাঞ্জাবী কেনা কাটার হিড়িক লেগেই থাকে।
বর্তমানে পাঞ্জাবীর ট্রেন্ড এতটাই ব্যাপক এবং এর মার্কেট এতটাই বড় যে, আমাদের মাথা ঘুরিয়ে দেবার জন্য এনাফ। এখন খোদ ঢাকাতেই প্রায় ৭০০০ এর মত পাঞ্জাবীর দোকান আছে। এই ৭০০০ হল সেইসব দোকানের কথা বলছি, যেগুলোতে শুধু পাঞ্জাবীই বিক্রি করে থাকে।
এছাড়া, এখনকার সময় পাঞ্জাবীর চাহিদা এতটাই বেশি যে, সব ধরনের দোকানেই পাঞ্জাবী বিক্রি করে থাকে। সেদিন এক ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানেও দেখলাম পাঞ্জাবী বিক্রি করতে। জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা কি পাঞ্জাবী ফ্রি দিচ্ছেন প্রোডাক্টের সাথে নাকি বিক্রি করছেন। উত্তরে জানালো, ভাই ইলেকট্রনিক্সের চেয়ে ইদানিং পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে বেশি। তিনি আরও বললেন, পুরো দোকানটাই পাঞ্জাবীর দোকানে রুপান্তরিত করে ফেলার চিন্তাভাবনা করছেন কারন এতে ব্যাপক প্রফিট গেইন করেছেন তিনি।
যাইহোক, এবার আসা যাক চাকরির ব্যাপারে। চাকরি বলতে পাঞ্জাবীর দোকান গুলোতে সেলসম্যান বা সেলসগার্ল পদে চাকরি।
এখানে ক্লিক করে সিভি জমা দিয়ে পাঞ্জাবীর দোকানে কাজ শুরু করে দিতে পারেন ঈদের আগেই বেতনও পাবেন
Comments
Post a Comment
প্রশ্ন থাকলে লিখুন